ধামরাইয়ের সুয়াপুরে এসএসসি কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও অভিভাবক মতবিনিময় মিলনমেলা

শেখ বাশার,ধামরাই ১৮ আগষ্ট ২০২৬(বিবিনিউজ): “সাফল্যের আনন্দ আর ভবিষ্যৎ গড়ার প্রত্যয় এই শ্লোগানকে সামনে রেখে ঢাকার ধামরাইয়ের সোমবার সুয়াপুর-নান্নার স্কুল অ্যান্ড কলেজে অনুষ্ঠিত হলো ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় কৃতকার্য শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও অভিভাবকদের সাথে মতবিনিময় সভা।


আজ স্কুল প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হয় এই বর্ণাঢ্য আয়োজন। ২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষায় অসামান্য ফলাফল অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের মেধা ও পরিশ্রমকে সম্মান জানাতেই এই উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সুয়াপুর নান্নার স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন, বিদ্যালয়টির অ্যাডহক কমিটির সভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা একেএম আসাদুজ্জামান ।


“অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন, ধামরাই উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাফিকুল ইসলাম (রবিন), দেওয়ান ইদ্রিস কলেজের অধ্যক্ষ আলমগীর হোসেন,মানিকগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজের প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী আলমগীর আল আজমী ,প্রাক্তন শিক্ষার্থী শামরুল নাহার বেলী ম্যাডাম,প্রাক্তন শিক্ষার্থী আনোয়ার হোসেন , প্রাক্তন শিক্ষার্থী দেওয়ান সাইদুর রহমান, সম্মাননা প্রদানকারী প্রাক্তন ছাত্র ব্যবসায়ী সাহাবুদ্দিন খান সরল, প্রাক্তন প্রধান শিক্ষক আশরাফুল ইসলাম, প্রাক্তন শিক্ষক মোমেন খান, প্রাক্তন শিক্ষক পীষুষ চক্রবর্তী,অভিভাবক আওলাদ হোসেন,সিনিয়র শিক্ষক ফজলুল হক খান,সিনিয়র শিক্ষক সাজ্জাদ হোসেন, সিনিয়র শিক্ষক সাইফুল ইসলাম খান,প্রভাষক তাসলিমা আজিম নোভা ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোহাম্মদ আলমগীরসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। এছাড়াও বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষকবৃন্দ এবং অভিভাবকরা অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করে মিলনমেলায় পরিনত করেন।

“বিশেষ এই আয়োজনে জিপিএ-৫ অর্জনকারী কৃতি শিক্ষার্থীদের ক্রেস্ট দিয়ে সম্মানিত করা হয়। এ বছর বিদ্যালয়টি থেকে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখা কৃতি শিক্ষার্থীরা হলেন,সাবিহা সোহা, মোসাঃ শশী আক্তার, সরস্বতী সরকার এবং তানযিম তাফান্নুন জেবা। তাদের এই সাফল্যে গর্বিত শিক্ষক ও অভিভাবকরা।”


“বক্তারা বলেন, একটি শিশুর সুন্দর ভবিষ্যতের জন্য শিক্ষক ও অভিভাবকদের যৌথ প্রচেষ্টার কোনো বিকল্প নেই। আজকের এই সংবর্ধনা শুধু শিক্ষার্থীদের সাফল্য উদযাপনের মাধ্যম নয় বরং অভিভাবক ও শিক্ষকদের মধ্যে সেতুবন্ধন তৈরির একটি প্রয়াস। আগামীর দিনগুলোতেও শিক্ষার্থীরা যেন এই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে দেশের কল্যাণে কাজ করে, সেই প্রত্যাশাই ব্যক্ত করেছেন আয়োজকরা।”

“শিক্ষার্থীদের সাফল্যের এই ধারাবাহিকতা বজায় থাকুক এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।

Related posts

Leave a Comment